
নিউজ ডেস্ক: বাঁশখালী উপজেলার পুকুরিয়া ছড়ারকুল শাহ মজিদিয়া ইসলামী কমপ্লেক্স কর্তৃক পরিচালিত শাহ্ মাহমুদিয়া ইসলামী নূরানী কিন্ডারগার্টেন ও দাখিল মাদ্রাসা, হেফজখানা ও এতিমখানার উদ্যোগে হযরত বড় হুজুর (রহ.), ছোট হুজুর (রহ.) ও এলাকার মরহুমদের ইছালে সওয়াব মাহফিল, পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান ও বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল ৭টা থেকে কমপ্লেক্স ময়দানে এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
কমপ্লেক্সের সভাপতি কে এম নাজিমুল হক সিকদারের সভাপতিত্বে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের কারিকুলাম বিশেষজ্ঞ ও সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া, ঢাকার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ। অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন ১নং পুকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসহাব উদ্দিন।
শাহ মাহমুদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ইউসুফ আনছারীর সঞ্চালনায় দস্তারবন্দী অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন দরবারে আলীয়া গারাংগিয়ার শাহজাদা ও সালিমা সিরাজ মহিলা মাদ্রাসার প্রভাষক মাওলানা মহিউদ্দিন মজিদী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিরাত শার্ট লি. এর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর রাকিব বিন তৌহিদ চৌধুরী। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন খলিফায়ে গারাংগিয়া হাফেজ ক্বারী আবদুল মাবুদ। ফাতেহা শরীফ পরিচালনা করেন পালেগ্রাম হাকিমিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা মীর আহমদ আনছারী।
মাহফিলে আলোচনা করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. এনামুল হক মুজাদ্দেদী, বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা আমিনুল ইসলাম, মাওলানা আবদুল জলীল, মাওলানা মুজ্জাম্মেলুল হক, মাওলানা মুহাম্মদ আতিক উল্লাহ চৌধুরী, মাওলানা ছলিমুল হক চৌধুরী, মাওলানা আবদুল মোকাররম চৌধুরী, মাওলানা এরশাদুল হক, মাওলানা আহমদুর রহমান আনছারী, মাওলানা ওমর ফারুক চৌধুরী ও হাফেজ মাওলানা আরিফ বিন নজির।
এতে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল কালাম, মুহাম্মদ আবুল বাশার, কে এম নাঈমুল হক সিকদার, নুরুদ্দিন জাহেদ, নাজেম উদ্দিন, সাংবাদিক মো. সোহেল তাজ, অধ্যাপক ডা. এফতেখার উদ্দিন চৌধুরী ও হাফেজ মাওলানা এরফানুল হক সিকদারসহ অনেকে।
বক্তারা বলেন, এই প্রতিষ্ঠানটি যেন কেবল জ্ঞান অর্জনের স্থানই না হয়ে ওঠে, বরং মানুষের আত্মা গঠনের এক পবিত্র মাকতাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এখান থেকে শিক্ষার্থীরা যেন দুনিয়ার প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞা, শিষ্টাচার ও ন্যায়বোধ অর্জনের পাশাপাশি আখিরাতের জন্য ঈমান, তাকওয়া ও খোদাভীতির সম্বল সংগ্রহ করতে পারে।
বক্তারা আরও বলেন, ইসলামে যে চাইবে, সে-ই ইসলামি পণ্ডিত হতে পারবে—কারো কোনো কিছু অর্জনে বাধা নেই। ইহকাল ও পরকালের কল্যাণে আলোকিত জীবন গঠনের আহ্বান জানান তাঁরা।
উল্লেখ্য, মাহফিলে ১৫ জন হাফেজকে পাগড়ি প্রদান করা হয়। শেষে মিলাদ ও আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন খলিফায়ে গারাংগিয়া আলহাজ্ব মাওলানা আহমদ নজীর।
Leave a Reply