আজ ২৮শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১২ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শফিকুল ইসলাম রাহী চট্টগ্রাম–১৪ সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন

Spread the love

সৈয়দ শিবলী ছাদেক কফিল: আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক, ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী-বিপ্লবী প্রতিবাদী-প্রতিরোধী, দুঃসময়ে রাজনীতির মাঠে চষে বেড়ানো কর্মীবান্ধব বিএনপি নেতা আলহাজ্ব মো. শফিকুল ইসলাম রাহী অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তবে এ বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ২০ জানুয়ারি। তিনি রাষ্ট্র ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র জন্য প্রয়োজনীয় সব কিছু করবেন। তাঁর প্রধান লক্ষ্য- তারুণ্যের অহঙ্কার বিএনপির নতুন চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের মাধ্যমে আধুনিক তথা জিয়া-খালেদার স্বপ্নের সুখী-স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণ।

তিনি বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে চূড়ান্ত ধাপে অংশগ্রহণ বিষয়ে আগামী ২০ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত লিখিত নির্দেশনা, নির্বাচন কমিশনের বিধি-বিধান এবং দেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই তিনি নিজের অবস্থান চূড়ান্ত করবেন।

শফিকুল ইসলাম রাহী আরও বলেন, কেন্দ্র থেকে সব স্বতন্ত্র প্রার্থীকে সরাসরি ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে চিহ্নিত করার যে আলোচনা চলছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বরং এটি একটি সুপরিকল্পিত ও সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক কৌশলের অংশ। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন বাস্তব ঝুঁকির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিচ্ছেন।

মামলা-মোকদ্দমা, ঋণ খেলাপি হওয়া, মনোনয়নপত্রে কারিগরি ত্রুটি কিংবা নির্বাচন কমিশনের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতার কারণে দলের মূল প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। এই সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলার অংশ হিসেবেই অন্তত ১৫টির বেশি সংসদীয় আসনে বিকল্প প্রার্থী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে বিষয়টি নতুন নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, অতীতেও বিভিন্ন সময়ে দলগুলো এ ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। তবে এবারের প্রেক্ষাপটে এর পরিসর তুলনামূলকভাবে অনেক বিস্তৃত। এছাড়া কিছু প্রার্থীর ক্ষেত্রে বার্ধক্যজনিত শারীরিক অসুস্থতা কিংবা ব্যক্তিগত আইনি জটিলতার বিষয়টিও কেন্দ্র বিবেচনায় রেখেছে।

শফিকুল ইসলাম রাহী বলেন, কোনো কারণে যদি যাচাই-বাছাই বা আইনি প্রক্রিয়ায় দলের মূল প্রার্থী বাদ পড়ে যান, তখনই কেবল এই বিকল্প প্রার্থীদের চূড়ান্ত হিসেবে ঘোষণা করা হবে। অন্যথায় বিষয়টি রাজনৈতিক প্রস্তুতি হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

তিনি আরও জানান, দেশবাসীর গণতান্ত্রিক প্রত্যাশা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে দায়িত্বশীল ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের প্রতি তিনি আস্থাশীল এবং দলের বৃহত্তর স্বার্থে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর