আজ ১লা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৪ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

১৩ বছরে বিয়ে করে ভাইরাল কিশোর-কিশোরী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৩ বছর বয়সে বিয়ে করে ভাইরাল হয়েছে পাকিস্তানের এক কিশোর। ছেলেটি তার পরিবারকে বিয়ের জন্য খুব চাপ দিয়েছিল। সেই কারণে বাধ্য হয়ে তার মা-বাবা তাকে বাগদান করিয়েছেন। বিয়ের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। এই নিয়ে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়েছে, ভিডিওটির ছেলেটির বয়স ১৩ বছর, সে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। আর মেয়েটির বয়স ১২ বছর, সে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। তারা পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। ওই কিশোর হঠাৎ তার পরিবারের কাছে দাবি করে, বিয়ে না দিলে সে আর স্কুলে যাবে না। আর এমন দাবির মুখে দুই পরিবারের সম্মতিতে তাদের বাগদান সম্পন্ন হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, পরিবারের লোকেদের উপস্থিতিতেই বাগদান সেরেছে দু’জনে। বর-কনের বাবা-মায়েরাও তাদের ছেলে-মেয়ের আংটি বদল হতে দেখে বেশ খুশি।

এই বিয়ে নিয়ে নেটিজনদের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এমন ভিডিও বাল্যবিবাহে প্ররোচিত করবে বলে মত তাদের। পরিবারের লোকজন জানান, ছেলেটি মেয়েটিকে বেশকিছু দিন ধরেই পছন্দ করতো। সে বাবাকে বলে, তার বিয়ে না দিলে সে আর স্কুলে যাবে না। ছেলের আবদার ফেলতে পারেননি বাবা। ধুমধাম করে বাগদানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন তিনি।

নেটিজনদের সমালোচনার জবাবে ওই কিশোর-কিশোরী সাংবাদিকদের জানান, লোকেরা তাদের বিয়ে নিয়ে কী বলছে, তা নিয়ে তারা ভাবতে নারাজ। বাগদানের পরও তারা নিয়ম করে স্কুলে যাবে। দু’জনের জন্যই পড়াশোনা শেষ করা সবচেয়ে বেশি জরুরি বলে জানায় তারা।

উল্লেখ্য, পাকিস্তানে বিবাহের সর্বনিম্ন বয়স পুরুষদের জন্য ১৮ বছর আর নারীদের ১৬ বছর। যদিও সিন্ধু প্রদেশ ২০১৩ সালে নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ করে একটি আইন পাস হয়। তবে তা কার্যকর করা হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর