আজ ১লা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৪ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

পাকিস্তানে চূড়ান্ত ফল প্রকাশে দেরি

অনলাইন ডেস্ক

নির্বাচনের অবাধ ও সুষ্ঠু ফলাফলের দাবিতে পাকিস্তানের পেশোয়ারে বিক্ষোভ করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআইয়ের সমর্থকরা। আজ রবিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের কারাবন্দী বিরোধীদলীয় নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল সমর্থিত প্রার্থীরা সরকার গঠনের পরিকল্পনা করছেন বলে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর একজন সিনিয়র সহকারী শনিবার জানিয়েছেন। এছাড়া নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ না হলে সমর্থকদের শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করারও আহ্বান জানানো হয়েছে।

পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনের মোট আসন সংখ্যা ২৬৬টি। এর মাঝে ২৫৬টি আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। তাতে দেখা গেছে, ইমরান খানের দল পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরাই স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন বলেছে, ফলাফল ঘোষণা করা ২৫৬টি আসনের মধ্যে কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দলের সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৯৩টি আসনে জয়ী হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। আর সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) ৭৩টি আসনে জয় পেয়েছে। এছাড়া প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর ছেলে বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির পাকিস্তান পিপলস পার্টিও ৫৪টি আসনে জয় পেয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বাকিগুলো ছোট কিছু দল জিতেছে।

মূলত ইমরান খানের পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফকে (পিটিআই) দল হিসাবে বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেওয়া হয়নি। এমনকি তাদের নির্বাচনী প্রতীকও ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল। আর তাই ইমরানের দলের প্রার্থীরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

রয়টার্স বলছে, ইমরান খান এবং তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ উভয়ই শুক্রবার বিজয় ঘোষণা করেছেন। এই অবস্থায় কে পরবর্তী সরকার গঠন করবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বেড়েছে, সেটিও আবার এমন এক সময়ে যখন দেশটিতে একাধিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দ্রুত নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

এমন অবস্থায় ইমরান খানের পাকিস্তান তেহরিক-ইনসাফ (পিটিআই) পার্টির চেয়ারম্যান গহর খান পাকিস্তানের ‘সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে’ তার দলের ম্যান্ডেটকে সম্মান করার আহ্বান জানিয়েছেন। ব্যারিস্টার গহর সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর আইনজীবী হিসেবেও কাজ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর